<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
     xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
     xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
     xmlns:admin="http://webns.net/mvcb/"
     xmlns:rdf="http://www.w3.org/1999/02/22-rdf-syntax-ns#"
     xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
     xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/">
<channel>
<title>TNews World &#45; Atikul Alam</title>
<link>https://tnewsworld.com/rss/author/atikul-alam</link>
<description>TNews World &#45; Atikul Alam</description>
<dc:language>en</dc:language>

<item>
<title>শামসেরগঞ্জে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ, সকাল থেকেই বুথে লম্বা লাইন</title>
<link>https://tnewsworld.com/Vot</link>
<guid>https://tnewsworld.com/Vot</guid>
<description><![CDATA[ মুর্শিদাবাদ, শামসেরগঞ্জ, ২৩ এপ্রিল:
প্রথম দফার ভোটগ্রহণ ঘিরে মুর্শিদাবাদের শামসেরগঞ্জে সকাল থেকেই ছিল উৎসবের আমেজ। বিভিন্ন বুথে ভোর থেকেই ভোটারদের দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা যায়। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশের নজরদারিতে গোটা এলাকা ছিল সুরক্ষিত। প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ বুথে নিরাপত্তারক্ষীদের উপস্থিতি ভোটারদের মধ্যে আস্থা তৈরি করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। ভোটাররা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করছেন। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ভোটারদের মুখে ছিল স্বতঃস্ফূর্ততার ছাপ, কোনো উত্তেজনা বা বিশৃঙ্খলার চিহ্ন দেখা যায়নি।
অনেক ভোটার জানিয়েছেন, “এবারের ভোট একদম শান্তিতে হচ্ছে। নিরাপত্তা ভালো থাকায় আমরা নির্ভয়ে ভোট দিতে পারছি।”
সব মিলিয়ে, শামসেরগঞ্জে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হচ্ছে, যা গণতন্ত্রের উৎসবকে আরও শক্তিশালী করে তুলেছে। ]]></description>
<enclosure url="https://tnewsworld.com/uploads/images/202604/image_870x580_69e9a7d30b7ae.jpg" length="157707" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 10:26:23 +0530</pubDate>
<dc:creator>Atikul Alam</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
</item>

<item>
<title>ভোটার লিস্টে বড় কেলেঙ্কারি? একই EPIC নম্বরে দুই জায়গায় নাম!</title>
<link>https://tnewsworld.com/Sir2026</link>
<guid>https://tnewsworld.com/Sir2026</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://tnewsworld.com/uploads/images/202604/image_870x580_69e8eb8e55320.jpg" length="154788" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 22 Apr 2026 21:14:10 +0530</pubDate>
<dc:creator>Atikul Alam</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
</item>

<item>
<title>NRC আসছে? এই স্লিপ রাখতেই হবে! বড় আপডেট!</title>
<link>https://tnewsworld.com/NRC</link>
<guid>https://tnewsworld.com/NRC</guid>
<description><![CDATA[ সকল ভোটারদের অবগতি
যাদের নাম ভোটার লিস্টে রয়েছে এবং যারা ইতিমধ্যে ভোটার স্লিপ পেয়েছেন, তাদের সকলকে অনুরোধ করা হচ্ছে যে, অনুগ্রহ করে আপনার ভোটার স্লিপটির অন্তত একটি জেরক্স কপি করে বাড়িতে যত্ন সহকারে সংরক্ষণ করে রাখুন।
কারণ, ভোট দেওয়ার সময় প্রিসাইডিং অফিসার এই স্লিপটি জমা নিয়ে নিতে পারেন। তাই আগে থেকেই প্রস্তুত থাকা অত্যন্ত জরুরি।
👉 বিশেষভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে—
আজকের মধ্যেই ভোটার স্লিপটির উভয় পৃষ্ঠার (দুই দিক) পরিষ্কার জেরক্স করে নিরাপদে রেখে দিন।
এছাড়াও শোনা যাচ্ছে যে, খুব শীঘ্রই পশ্চিমবঙ্গে NRC চালু হতে পারে, যেখানে এই ধরনের নথিপত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তাই ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে এই স্লিপটি সংরক্ষণ করা বুদ্ধিমানের কাজ।
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ইতিমধ্যেই ECI-এর ওয়েবসাইট থেকে ভোটার স্লিপ ডাউনলোডের অপশন বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে ভবিষ্যতে এই স্লিপ পুনরায় পাওয়া কঠিন হয়ে যেতে পারে।
❗ তাই সতর্ক থাকুন—
ভোট দেওয়ার আগে বা পরে কোনোভাবেই এই গুরুত্বপূর্ণ স্লিপটি হারাবেন না।
📌 দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে অনুরোধ করা হচ্ছে, এই বার্তাটি অন্য ভোটারদের কাছেও পৌঁছে দিন। ]]></description>
<enclosure url="https://tnewsworld.com/uploads/images/202604/image_870x580_69e8de8f9aa5b.jpg" length="167577" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 22 Apr 2026 20:17:38 +0530</pubDate>
<dc:creator>Atikul Alam</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
</item>

<item>
<title>অসহায় হিন্দু মেয়ের পাশে দাঁড়ালেন মুসলিম যুবক | রাজনীতি হারে, মানবতা জিতে যায়</title>
<link>https://tnewsworld.com/Blood</link>
<guid>https://tnewsworld.com/Blood</guid>
<description><![CDATA[ রাজনৈতিক মঞ্চে যখন হিন্দু-মুসলিম বিভাজনের আলোচনা তুঙ্গে, ঠিক সেই সময় এক সাধারণ যুবক দেখিয়ে দিলেন— ইসলাম মানবতা বিরোধী নয়।

মুর্শিদাবাদের সামসেরগঞ্জ থানার এক হৃদয়স্পর্শী ঘটনা সামনে এসেছে। মুখে দাড়ি রাখা এক মুসলিম যুবক, আতিকুল আলম, নিজের রক্ত দিয়ে বাঁচানোর চেষ্টা করলেন এক কিশোরী হিন্দু মেয়ের জীবন। ওই কিশোরীর নাম রঙ্গিলা মন্ডল। মাত্র ১৫-১৬ বছরের রঙ্গিলা দীর্ঘদিন ধরে থ্যালাসেমিয়া রোগে ভুগছে, এবং তার শারীরিক অবস্থা বর্তমানে অত্যন্ত সংকটজনক।
সবচেয়ে মর্মান্তিক বিষয়—রঙ্গিলার পাশে দাঁড়ানোর মতো কোনো অভিভাবক নেই। এই কঠিন পরিস্থিতিতে মানবতার হাত বাড়িয়ে দেন আতিকুল আলম। কোনো ধর্ম, কোনো ভেদাভেদ না দেখে তিনি রক্তদান করে প্রমাণ করে দিলেন—মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য ইসলাম ধর্ম বাঁধা দেয় না বরং উৎসাহিত করে।
এই ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দেয়, ভারতের আসল ঐতিহ্য শুধু বৈচিত্র্যে নয়, বরং সহমর্মিতা ও মানবিকতায়। যেখানে রাজনীতি মানুষকে ভাগ করে, সেখানে সাধারণ মানুষই বারবার প্রমাণ করে দেয়—ভালোবাসা ও সহানুভূতির শক্তি সব বিভেদের ঊর্ধ্বে।
আজ আতিকুল আলমের মতো মানুষেরাই আশার আলো দেখাচ্ছেন। আর রঙ্গিলা মন্ডলের মতো অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই উদাহরণ সমাজকে নতুন করে ভাবতে শেখাচ্ছে । ]]></description>
<enclosure url="https://tnewsworld.com/uploads/images/202604/image_870x580_69e053d765adc.jpg" length="117679" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 16 Apr 2026 08:54:22 +0530</pubDate>
<dc:creator>Atikul Alam</dc:creator>
<media:keywords>Blood donation</media:keywords>
</item>

<item>
<title>১৯৯৫ সালের EPIC নম্বর থাকা সত্ত্বেও ভোটার তালিকা থেকে নাম উধাও! SIR&#45;এ ‘ডিলিটেড’ দেখাচ্ছে</title>
<link>https://tnewsworld.com/Sir</link>
<guid>https://tnewsworld.com/Sir</guid>
<description><![CDATA[ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুমারগঞ্জ এলাকায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে। অভিযোগ, ১৯৯৫ সাল থেকে বৈধ EPIC নম্বর থাকা সত্ত্বেও এক মহিলা ভোটারের নাম হঠাৎ করেই ভোটার তালিকা থেকে মুছে ফেলা হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ওই ভোটারের পুরনো ভোটার আইডি কার্ডে (১৯৯৫) EPIC নম্বর ছিল WB/06/037/321271। পরবর্তীতে ২০২২ সালে নতুন ভোটার কার্ড ইস্যু করা হলেও, তাতে নতুন EPIC নম্বর IUS1923630 দেওয়া হয়।
কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ভোটার সার্ভিস পোর্টালে (Voters’ Service Portal) EPIC নম্বর দিয়ে সার্চ করলে দেখা যাচ্ছে—“Excluded / Deleted list dated 23-03-2026” অর্থাৎ নামটি ডিলিটেড তালিকায় চলে গেছে।
এছাড়াও সংশ্লিষ্ট ভোটার তালিকার PDF নথিতেও ওই ব্যক্তির নাম এবং EPIC নম্বর মিল পাওয়া গেছে, যা প্রমাণ করে তিনি দীর্ঘদিন ধরেই নিবন্ধিত ভোটার ছিলেন।
পরিবারের দাবি, কোনো রকম পূর্ব নোটিশ ছাড়াই এই নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তাদের প্রশ্ন—
👉 “যদি ১৯৯৫ সাল থেকেই EPIC নম্বর থাকে, তাহলে হঠাৎ করে নাম মুছে গেল কেন?”
বিশেষজ্ঞদের মতে, SIR (Special Intensive Revision) চলাকালীন অনেক সময় ডুপ্লিকেট, ঠিকানার পরিবর্তন বা ভেরিফিকেশন সংক্রান্ত সমস্যার কারণে নাম বাদ পড়তে পারে। তবে সঠিক কারণ না জানিয়ে এভাবে নাম বাদ দেওয়া হলে তা প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

কীসের ভিত্তিতে বিবেচনা ]]></description>
<enclosure url="https://tnewsworld.com/uploads/images/202604/image_870x580_69d8798a73319.jpg" length="182343" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 11 Apr 2026 10:46:37 +0530</pubDate>
<dc:creator>Atikul Alam</dc:creator>
<media:keywords>Sir</media:keywords>
</item>

<item>
<title>নির্বাচন কমিশনের কাজ দেখে সাধারন মানুষের মাঝে সমালোচনার ঝড়</title>
<link>https://tnewsworld.com/sekhname</link>
<guid>https://tnewsworld.com/sekhname</guid>
<description><![CDATA[ Voter list ]]></description>
<enclosure url="https://tnewsworld.com/uploads/images/202604/image_870x580_69e0724405a05.jpg" length="151833" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 09 Apr 2026 07:49:02 +0530</pubDate>
<dc:creator>Atikul Alam</dc:creator>
<media:keywords>Voter</media:keywords>
</item>

</channel>
</rss>